Breaking News

Sunday, 10 February 2019

ভোটের প্রার্থী হওয়ার জন্য হতে হবে স্নাতক পাশ। নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।


আমাদের দেশ ভারতবর্ষে  কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাক্ষেত্র  উভয় জাইগাতেই যে কোনো একটি পদে নিয়োগ হতে হলে পদ অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতার দরকার হয়।এই রকম আরও অনেক ক্ষেত্রই আছে যেখানে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকাটা আবশ্যক । কিন্তুু আমাদের দেশে একটি ক্ষেত্র আছে যেখানে কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয় না,সেটি হল রাজনৈতিক জগৎ।এই দেশের রাজনৈতিক দলগুলির নেতারা অনেকই যেমন  উচ্চ শিক্ষিত আছে তেমনই নিম্ন শিক্ষিত দের ভাগটা কম না। ভারতবর্ষে যে কোনো  প্রার্থী ভোটে দাঁড়িয়ে হয়ে যেতে পারে নেতা। ভোটে দাঁড়ানোর আগে প্রার্থীর রাজনৈতিক মানসিকতা ও কথা বলার দক্ষতা বিবেচনা করা হলেও শিক্ষাগত যোগ্যতার দিকটি ভারতবর্ষে একেবারেই বিবেচিত হয় না।


আর এই দেশে এমন কোনো নাই যার ফলে কোনো দিন ভোটে দাঁড়াতে গিয়ে  শিক্ষাগত যোগ্যতা বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ এই শিক্ষাগত যোগ্যতাকেই  সব সময় যে কোনো কাজের জন্য যাচাই করা হয়। কিন্তুু ভারতবর্ষের  রাজনৈতিক ময়দানে শিক্ষাকে  এতদিন যাবৎ কোন রকম গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। যে কারণে সচরাচর আমরা দেখতে পাই যে  নিরক্ষর মানুষ ভোটে দাঁড়িয়ে জয় লাভ করে ভারতীয় রাজনীতির অনেক  বড় বড় পদ আঁকড়ে ধরে আছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে তা কখনোই বাঞ্ছনীয় নয়, কারণ এই নেতারাই দেশ চালান আর এদের হাতেই দেশের ভবিষ্যত, আর যার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার গুরুত্ব একান্ত বাঞ্ছনীয়।

দীর্ঘদিন  যাবৎ এই বিষয়ে কোনো রকম পদক্ষেপ গ্রহণ না হলেও এবার এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছেন এক ব্যক্তি। যিনি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে একটি আপিল করেছেন যে ভোটে দাঁড়ানোর জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে। যিনি আপিল করেছেন তিনি হলেন  বিজেপি নেতা অশ্বিনী উপাধ্যায়।
 যিনি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে আরও অনেকগুলি আপিল করে রেখেছেন।

অশ্বিনী উপাধ্যায়  ৫ই ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে একটি আপিল করেন,যে  ভোটে দাঁড়ানো প্রার্থীকে অবশ্যই স্নাতক পাশ হতে হবে এবং তাঁর বয়স যেন ৭৫ বৎসর এর উর্দ্ধে  না হয়।


অশ্বিনী উপাধ্যায় বলেন আমাদের দেশে ভোটে জেতার পর রাজনৈতিক পদে যাঁরা বসেন, তাঁরা যে সকল সুবিধা পান তাতে সেই সকল জায়গায় বা পদে নিরক্ষর ব্যক্তির থাকা উচিত নয়। পঞ্চায়েত এবং পুরসভার ভোটের ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেক প্রার্থী থাকেন যাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অনেক কম। এমনকি নিরক্ষররাও প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকেন।


এই বিজেপি নেতা এবং আইনজীবী আরও বলেন, একজন শিক্ষিত ব্যক্তি হয়তো রাজনৈতিক নেতা হওয়ার যোগ্য নাও হতে পারেন কিন্তুু একজন রাজনৈতিক নেতার নিরক্ষর হওয়াটা দেশের পক্ষে ক্ষতিকর।

No comments:

Post a Comment