Breaking News

Tuesday, 5 February 2019

কেন্দ্র দেশের শিক্ষায় কত টাকা বরাদ্দ করল।

 কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির সরকার পাঁচ বছরে ছ’বার বাজেট পেশ করল ৷  এই বাজেটে বেশ কিছু চমক দিয়েছেন রেলমন্ত্রী ও অস্থায়ী অর্থমন্ত্রী পীযুষ গোয়েল    গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষক, মধ্যবিত্ত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য ৷ কিন্তু, ২২ পাতার গোটা বাজেট ভাষণে শিক্ষার মান উন্নয়নের প্রসঙ্গ কোথায় গেল ?  শিক্ষায় বাজেট বরাদ্দ কত বাড়ল?  স্থানীয় চাকরির আশ্বাস কোথায় গেল?  বছরে দু’কোটি কর্মসংস্থানের বার্তা কোথায় গেল?  অস্থায়ী অর্থমন্ত্রী দীর্ঘ বাজেট ভাষণে কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে ঠিক কী জানালেন ?



এদিন বাজেটে শিক্ষা খাতে  খুবই সামান্য বরাদ্দ বাড়ালেন ৷ শিক্ষা খাতে গত বছরের তুলনায় এই বছর বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো হলেও তা উল্লেখযোগ্য ভাবে খুবই কম৷ তবে, বেশ কিছু ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে এবারের বাজেটে  শিক্ষা ঋণের ক্ষেত্রে ৷ অস্থায়ী অর্থমন্ত্রী  ঠিক কী বলেছেন শিক্ষায় বাজেট বরাদ্দ প্রসঙ্গে  ?

এদিন পীযুষ গোয়েল বলেন, ‘‘এখন কোনও বাড়তি কর দিতে হবে না শিক্ষা ঋণের উপর ৷ সেই সঙ্গে জাতীয় চিকিৎসা বীমা, পেনশন স্কিম ও চিকিৎসা ব্যায়ের উপর ঋণের ক্ষেত্রেও প্রবীণ নাগরিকদের কোনও বাড়তি কর লাগবে না ৷’’ এদিন অর্থমন্ত্রী শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে  জানান,   দেশের উন্নয়নে ২০১৮-১৯ সালে  মোট ব্যয় ২৪,৫৭,২৩৫ কোটি টাকা থেকে ২০১৯-২০ সালে বাড়ানো হয়েছে  ২৭,৮৪,২০০ কোটি টাকা ৷ ৩,২৬,৯৬৫ কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে৷ বরাদ্দা বাড়ানো হয়েছে  সেন্ট্রাল স্পনসর স্কিমসে (CSS)  ৩,২৭,৬৭৯ কোটি টাকা৷  বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে জাতীয় শিক্ষা মিশনের ৷ গত বছর ছিল, ৩২,৩৩৪ কোটি টাকা৷ এবার তা ৩৮,৫২৭ কোটি টাকা বাড়িনো হয়েছে৷ গতবছরের তুলনায় ৬,২৩৮কোটি টাকা৷   নামমাত্র বেড়েছে শিশু শিক্ষায় ৷ গতবর্ষে এই খাতে ২৩,৩৫৭ কোটি টাকা ছিল , এবার তা ২৭,৫৮৪ কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে ৷

শিক্ষার সঙ্গে উঠে আসে কংস্থানের প্রসঙ্গ ৷ এই বাজেটে কেন্দ্র সরকারের উন্নয়ন প্রসঙ্গ তুলে ধরা হলেও স্থায়ী কর্মসংস্থানের  সমাধান মিলনা ৷ অর্থমন্ত্রী এদিন বাজেট ভাষণে  বলেন, ‘‘ দেশের অর্থনীতির বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ৷ আর এই কারণে গত দুবছরে EFO দপ্তরে  অন্তত দু’কোটি চাকরিপ্রার্থী নাম নতুভুক্ত করেছে ৷’’ এদিন অস্থায়ী অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‘  ভারত বিশ্বের বৃহত্তম যুবশক্তির দেশ"৷  প্রধানমন্ত্রী কুশল বিকাশ যোজনার মাধ্যমে দেশের কর্মসংস্থান বাড়াতে আমরা স্বনির্ভর করার লক্ষ্যে এক কোটি চাকরিপ্রার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি ৷  সাড়ে ১৫ কোটি যুবককে ৭ লক্ষ ২৩ হাজার কোটি টাকার মূদ্রা যোজনার মাধ্যমে ভর্তুকিযুক্ত ঋণ দেওয়া হয়েছে৷  দেশে বেকারত্ব কমেছে এই দুই প্রকল্পের মাধ্যমে৷ এই মুহূর্তে  বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্টাটআপ হাব হিসাবে ভারত পরিণত হয়েছে ৷  ৫৯ মিনিটের মধ্যে ১ কোটি ঋণ দেওয়া হয়েছে MSME সেক্টরের মাধ্যমেও।

কিন্তু,  অস্থায়ী অর্থমন্ত্রী বিকল্প কর্মসংস্থানের কথা বললেও  স্থায়ী চারকির বিষয়ে কোনো মুখ খোলেননি ৷ রেলমন্ত্রী ও অস্থায়ী অর্থমন্ত্রী পীযুষ গোয়েল জানানি গত পাঁচ বছরে দেশে কত কর্মসংস্থান হয়েছে ৷  চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষোভ তৈরি হয়েছে৷ ভোটের আগে কর্মসংস্থান ইস্যুতে নির্দিষ্ট দীশা না থাকায়। 

No comments:

Post a Comment